বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখে নয়টি পরিযায়ী পাখির চোখধাঁধানো ছবি

বাংলাদেশে প্রতিবছর শীতে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি আসে। সাইবেরিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চল থেকে শুরু করে ইউরোপ, মধ্য এশিয়া থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে শীতের সময় বাংলাদেশে আসে এসব অতিথি পাখিরা।

বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরায় তোলা তেমন কিছু পরিযায়ী পাখির ছবি এখানে তুলে ধরা হলো। বিভিন্ন সময়ে দেশের নানান প্রান্ত থেকে এসব পাখির ছবি ক্যামেরা বন্দি করেছেন ফটোগ্রাফাররা।

চকাচকি বা খয়রা চখাচখি

সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৮৪ লাখ ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। গত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা কমে গেলেও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। শীতে বাংলাদেশে এরা পরিযায়ী হয়ে আসে।

নীলগলা ফিদ্দা

নীলগলা ফিদ্দা পাখি গাছের ডালে বসে আছে

ছবির ক্যাপশান,ঢাকায় ২০২১ সালে পরিযায়ী এই পাখিটির ছবি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)

নীলগলা ফিদ্দা পাখিটি হাওর, বিল বা জলাশয়ের ধারের ঝোপে অথবা নলবনে এরা অন্য পাখিদের সঙ্গে রাত কাটায়। সাধারণত একাকী থাকে। এরা ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ায় বিচরণকারী পাখি।

পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক

ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন অনীক চন্দ।

ছবির ক্যাপশান,ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার অনীক চন্দ।

দাগি রাজহাঁস

তিনটি দাগি রাজহাঁস হেঁটে বেড়াচ্ছে

ছবির ক্যাপশান,রাজশাহীতে ২০১৭ সালে দাগি রাজহাঁসের এই ছবিটি তুলেছেন সাইফুদ্দিন সাইফ

পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়।

শীতকালে এরা মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিযায়ী হয়ে আসে। শীতের শেষে আবার সেখানে চলে যায় এবং সেখানকার পার্বত্য হ্রদসমূহে বিচরণ ও প্রজনন করে।

সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এরা বিস্তৃত, প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাস।

চিতিপাখ শালিক

চিতিপাখ শালিককে লাল ফুলের উপর উড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে

ছবির ক্যাপশান,হবিগঞ্জে ২০২০ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার সাইফুদ্দিন সাইফ

এটি উত্তর ভারত ও পশ্চিম নেপালে বংশবৃদ্ধি করে এবং উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে শীতকাল পরিযায়ী হয়ে আসে। এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল হলো নিচু এলাকার বন এবং আর্দ্র পাহাড়ি বন।- s/bbc news bangla